Search

Dear friends and Parents,

শিশু জন্মপরবর্তী সময়ে শিশুর পরিচর্যার মধ্যে শিশুর ঘুম ও শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো ছাড়া ও শিশুর সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে নবজাতককে বাড়িতে আনার সঙ্গে সঙ্গে টামি টাইম দিতে হবে, শিশুর দেরীতে বিকাশ বা যে কোন বিকাশগত সমস্যা যেমন: অটিজম স্পেকট্রাম, অতিরিক্ত চাঞ্চ্যলতা বা কিছু কিছু ডিসঅর্ডার আছে যা এই কার্যক্রম (activities ) এর মধ্যে দিয়ে কমিয়ে আনা সম্ভব, একটি উদাহরনের সাহায্যে বিষয়টি আরো পরিষ্কার করা যেতে পারে: জ্বর হলে আমরা প্যারাসিটামল খাচ্ছি কারণ জ্বর যেন বেড়ে না যায়, প্যারাসিটামল এর প্রভাবে জ্বর কিন্তু কমে যাচ্ছে কিন্তু শরীরের মাঝে একটি ম্যাজম্যাজ ভাব এবং খাবারের অনীহা থাকে। এই কার্যক্রমসমূহ অনেকটা এইভাবেই কাজ করে শিশুর শাররীরিক, মানসিক, আবেগিক, সামাজিক ও বুদ্ধিগত সমস্যাগুলোকে একটি পরিসীমার/কন্ট্রোল এর মধ্যে রাখে।শিশুর সাথে এই একটিভিটিস বা কার্য্ক্রমগুলো শুধু খেলা নয়, এছাড়াও আরো অনেক কিছু রয়েছে, শিশুকে আনন্দের মাঝে শেখানো জন্য খেলা একটি প্রথম ও প্রধান মাধ্যম। খেলা ছাড়াও রয়েছে শিশুর অতিরিক্ত চাঞ্চল্যতা দূর করার জন্য সেন্সরি ডায়েট। সেন্সরি ডায়েট এক এক শিশুর জন্য এক এক রকম কারণ শিশুর জন্ম গ্রহন করে ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে এবং মাবাবার কাছ থেকে, ভিন্নতা হবে এটিই স্বাভাবিক। নবজাতককে টামি টাইম এর সাথে সাথে বেবি ম্যাসাজও দিতে হবে, বেবি ম্যাসাজ নাভি শুকিয়ে পরার পরবর্তী সময় থেকে শুরু করতে হবে সাধারণত ৮ সপ্তাহ বা ২ মাস বয়স থেকে। এই সময়ের মাঝেই শিশুকে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে খেলতে দিতে হবে যাতে করে শিশু তার সেন্সগুলোকে ব্যবহার করতে পারে, শিশুর যদি কোন সেন্সরি ইস্যু থেকে থাকে খুব সহজেই মা বাবা বা পরিচর্যাকারী বুঝতে পারবেন কারণ শিশু কোন কোন ক্ষেত্রে এভোইড করবে আবার কোন কোন ক্ষেত্রে কিছু কিছু জিনিস বেশি ধরবে বা ওই বস্তুর উপর আকর্ষণ থাকবে। যেমন: মায়ের চুল ধরে ঘুমানো, সব কিছু পেলে মুখে দেওয়া। এই ক্ষেত্রে বলে নিচ্ছি, আপনাদের শিশুর ডেভেলপমেন্টাল মাইলস্টোনটি জানতে হবে কারণ ৬ মাস থেকে শিশু অনেক কিছু মুখে দেবে এবং কিছু দিনের মাঝে তার এই অভ্যাস পরিবর্তনও হয়ে যাবে কিন্তু শিশুর দাঁত উঠে যাবার পরও ধরুন ২ বছর হলো কিন্তু শিশু সব কিছু মুখে দিচ্ছে তাহলে এই বিষয়টি স্বাভাবিক নয়, এ ক্ষেত্রে শিশুর সেন্সরি ডায়েট দরকার হবে। সেন্সরি ডায়েট শিশুর প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে দেওয়া হয়ে থাকে। এই বিষয়টি প্রত্যেক মা বাবার জানা দরকার। শিশু এরমাঝে একটু একটু কথা বলা অর্থাৎ বাবলিং শুরু করবে, শিশুর সাথে পরিচয় ঘটবে নতুন নতুন খাবারের। শিশুর উইনিং স্টেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কারণ উইনিং স্টেজ এ একজন পরিচর্যাকারী বুঝতে পারে শিশু কোন খাবারটি খেলে ভালো বোধ করছে আর কোন খাবারটি খেয়ে শিশুর হজমে সমস্যা হচ্ছে, শিশুর খাবারে এলারজি এবং ইন্টলারেন্সি থাকতেই পারে, সে বিষয়টি মা বাবাকে বুঝতে হবে কারণ শিশুর খাবারের মাধ্যমে শিশু তার শারীরিক গঠন থেকে শুরু সব বিকাশগুলো এগিয়ে নিয়ে যাবে। শিশুর ঘন ঘন ডায়রিয়া বা কোষ্ঠ কাঠিন্য বা শরীরে চুলকানি থাকলে প্রয়োজনবোধে দেরী না করে ফুড এলারজি পরীক্ষা করে শিশুকে তার সহনশীল খাবার দিতে হবে, অবজ্ঞা করলে শিশু ভবিষৎ জীবনে অনেক বেশি কষ্টপাবে এবং এর ফলে অন্যন্যা আরও অনেক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। শিশুর লেখার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য শিশুকে কিছু প্রি স্কুল এক্টিভিটিজ করাতে হবে যাতে শিশুর ফাইন মোটর দক্ষতা ভালো হয় এবং শিশু মনোযোগী হয়। একটি শিশুর লেখার জন্য তার যা থাকা দরকার; লেখার প্রতি মনযোগ, কথা শুনে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা এবং নিজের মোটর দক্ষতাকে নিয়ন্ত্রণ করে কলমটি ধরা। কলমটি ধরলেই শিশু লিখতে পারবে না, শিশুর ব্রেইনকে প্রক্রিয়া করতে হবে এবং বুঝে লিখতে হবে। প্রতিটি মাকে বুঝতে হবে শিশুকে তারা কতটুকু সময় দিচ্ছে যে শিশু এই কাজগুলো করতে পারছে। to be continue Tripti Podder See translation


1 view0 comments